পৃথিবীর একমাত্র গোয়েন্দা সংস্থা র, যা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে রেন্ডিয়ায় বাইরে তাদের হাইকমিশন গুলোকে বেজ করে। আর এতে সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখে ইসকন, ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার তথা ওদের বিভিন্ন নামে কালচারাল সেন্টারের মাধ্যমে।
সেই সাথে ওদের বিভিন্ন দেশে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তার মাধ্যমে।
একটা রিসেন্ট উদাহরণ দেই, ইরানের চাহাবার বন্দরের রেন্ডিয়ান কর্মকর্তা ও কর্মচারির মাধ্যমে র তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন সেনসেটিভ ইনফরমেশন মোসাদের কাছে পাঠাচ্ছিল।
এই কারণে ১২ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিকে ইরানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়, হামলায় পিন পয়েন্ট ইনফোর কারণে।
এই কাজ গুলো করে রেন্ডিয়ান এজেন্টদের কারণে।
একটা জিনিস খেয়াল করুন এই বেইমান মোনাফেক জাতি বিভিন্ন দেশে অতিথি হয়ে এসে ঔ দেশের ক্ষতি সাধনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে।
এরা ধর্মীয় লেবাসধারী হয়ে ইসকনের মাধ্যমে র এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
আবার কখনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে করে, আবার কখনো কর্মকর্তা কর্মচারীর বেশে করে থাকে।
আর সবার বেজ হিসেবে কাজ করে ওদের হাইকমিশন গুলো।
এখন বাংলাদেশের পটভূমিতে একবার চিন্তা করুন, কি নেই র এর উইং এদেশে?
রেন্ডিয়ান হাইকমিশনকে বেজ করে গত ৫৫ বছরে এক মাকড়সার জালের মতো ওদের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। যেখানে বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, সাংস্কৃতিক কর্মী, বাম দলগুলো, স্থায়ী ভাবে তো ওদের উইং হিসেবে কাজ করে।
সেই সাথে আছে বিভিন্ন রেন্ডিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি কালচারাল সেন্টার, যেমন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার, উদিচি, ছায়ানট।
এরা সমাজের এলিট শ্রেণীর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে র এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে, কৃষ্টি কালচার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিয়ে।
এরা সবাই সমাজকে রেন্ডিয়ার চাওয়া অনুযায়ী র এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে সমাজে বয়ান উৎপাদন এবং তা নাগরিকদের মনস্তত্ত্বে প্রবেশ করানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে রেন্ডিয়ার নাগরিকরা, এরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে সারা দেশের সব ইনফরমেশন র এর কাছে হ্যান্ডওভাবের কাজ করে থাকে।
যেমন বাংলাদেশের যত স্পর্শকাতর প্রজেক্ট আছে যেমন রুপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কাজ করে সেখান কার সব ইনফো ওরা র এর কাছে পাস করে থাকে।
এছাড়া র এর না চাইতেও বৃষ্টির মতো এদেশের ওদের জাত ভায়েরা সারা প্রশাসন সহ সব জায়গায় বসে আছে এদের খেদমত করে রেন্ডিয়ার আশীর্বাদ পুষ্ট হওয়ার জন্য।
প্রশাসনের ভিতর থাকা এই সব গাদ্দাররা দেশের সকল স্পর্শকাতর ইনফরমেশন র এর কাছে পাচার করে থাকে।
পৃথিবীর একমাত্র গোয়েন্দা সংস্থা র, যা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে রেন্ডিয়ায় বাইরে তাদের হাইকমিশন গুলোকে বেজ করে। আর এতে সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখে ইসকন, ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার তথা ওদের বিভিন্ন নামে কালচারাল সেন্টারের মাধ্যমে।
সেই সাথে ওদের বিভিন্ন দেশে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তার মাধ্যমে।
একটা রিসেন্ট উদাহরণ দেই, ইরানের চাহাবার বন্দরের রেন্ডিয়ান কর্মকর্তা ও কর্মচারির মাধ্যমে র তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন সেনসেটিভ ইনফরমেশন মোসাদের কাছে পাঠাচ্ছিল।
এই কারণে ১২ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিকে ইরানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়, হামলায় পিন পয়েন্ট ইনফোর কারণে।
এই কাজ গুলো করে রেন্ডিয়ান এজেন্টদের কারণে।
একটা জিনিস খেয়াল করুন এই বেইমান মোনাফেক জাতি বিভিন্ন দেশে অতিথি হয়ে এসে ঔ দেশের ক্ষতি সাধনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে।
এরা ধর্মীয় লেবাসধারী হয়ে ইসকনের মাধ্যমে র এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
আবার কখনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে করে, আবার কখনো কর্মকর্তা কর্মচারীর বেশে করে থাকে।
আর সবার বেজ হিসেবে কাজ করে ওদের হাইকমিশন গুলো।
এখন বাংলাদেশের পটভূমিতে একবার চিন্তা করুন, কি নেই র এর উইং এদেশে?
রেন্ডিয়ান হাইকমিশনকে বেজ করে গত ৫৫ বছরে এক মাকড়সার জালের মতো ওদের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। যেখানে বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, সাংস্কৃতিক কর্মী, বাম দলগুলো, স্থায়ী ভাবে তো ওদের উইং হিসেবে কাজ করে।
সেই সাথে আছে বিভিন্ন রেন্ডিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি কালচারাল সেন্টার, যেমন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার, উদিচি, ছায়ানট।
এরা সমাজের এলিট শ্রেণীর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে র এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে, কৃষ্টি কালচার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিয়ে।
এরা সবাই সমাজকে রেন্ডিয়ার চাওয়া অনুযায়ী র এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে সমাজে বয়ান উৎপাদন এবং তা নাগরিকদের মনস্তত্ত্বে প্রবেশ করানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে রেন্ডিয়ার নাগরিকরা, এরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে সারা দেশের সব ইনফরমেশন র এর কাছে হ্যান্ডওভাবের কাজ করে থাকে।
যেমন বাংলাদেশের যত স্পর্শকাতর প্রজেক্ট আছে যেমন রুপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কাজ করে সেখান কার সব ইনফো ওরা র এর কাছে পাস করে থাকে।
এছাড়া র এর না চাইতেও বৃষ্টির মতো এদেশের ওদের জাত ভায়েরা সারা প্রশাসন সহ সব জায়গায় বসে আছে এদের খেদমত করে রেন্ডিয়ার আশীর্বাদ পুষ্ট হওয়ার জন্য।
প্রশাসনের ভিতর থাকা এই সব গাদ্দাররা দেশের সকল স্পর্শকাতর ইনফরমেশন র এর কাছে পাচার করে থাকে।