UMMA TOKEN INVESTOR

Translation is not possible.
আমি একজন তু-র্কি নাগরিক।
আ*ফGaনে এসে যা দেখেছি,তা শুধু একটি দেশের বাস্তবতা নয়—এটা আমাদের ভুলে যাওয়া ইতিহাসের জীবন্ত ছবি।
হেরাতে আমি কয়েক দিন অতিথি ছিলাম গভর্নর শেখ মাও//লভি ইসলামের কাছে।
সেখানে গিয়ে বুঝেছি,ক্ষমতা যদি তাকওয়া ওয়ালাদের হাতে যায়,তাহলে শা/স/নও ইবাদতে পরিণত হয়।
ওনার কোনো নির্দিষ্ট অফিস সময় নেই—কারণ জনগণের দুঃখের সময়ের কোনো ঘড়ি হয় না। ধনী-গরিব,সাধারণ মানুষ,আলেম—সবাই তার পাশে বসে।দরজা নয়,তার হৃদয়টাই সবার জন্য খোলা।
একদিন মানসিক প্রতিবন্ধী একজন মানুষ এল তার সঙ্গে দেখা করতে।
কোনো অবহেলা নয়—তিনি তাকে কাছে টানলেন,
কথা বললেন,হাসালেন। বিদায় দেওয়ার পর আমাদের বললেন—
“এরা আমাদের দুর্বলরা।আল্লাহ এদের কারণেই তাঁর বান্দাদের ওপর রহমত নাযিল করেন।”
এই একটি বাক্য আমাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
খাবারের সময়েও তিনি আলাদা নন।কর্মচারীদের সঙ্গে একই দস্তরখানে,মাটিতে বসে খাবার খান।কোনো বিশেষ চেয়ার নেই,কোনো আলাদা থালা নেই—শুধু দায়িত্ব আর বিনয়।
সেদিন মনে হয়েছিল,
আমি যেন ইতিহাসের ভেতর দাঁড়িয়ে আছি।
সীরাতের পাতাগুলো যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।
আমাদের উম্মাহ শা/স/নের নামে অনেক কিছু দেখেছে। কিন্তু আজও প্রমাণ হয়—যদি আদর্শ হয় রাসূল ﷺ, তবে এই যুগেও সোনালী শা/স/ন সম্ভব।
হে আল্লাহ,আমাদের চোখ খুলে দিন।
আমাদের এমন শাসক দিন,আর আমাদেরও এমন মানুষ বানান—যাদের আদর্শ ও পথপ্রদর্শক শুধু আপনার রাসূল ﷺ।
(একজন তুর্কী মুসলিম ভাইয়ের টাইম লাইন থেকে)
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group
Translation is not possible.
তেহরানে ব্যানারে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হুমকি বার্তা
ইরানের রাজধানী তেহরানের বিখ্যাত ফিলিস্তিন স্কোয়ারে একটি বিশাল ব্যানার টাঙানো হয়েছে, যেখানে ইসরায়েলের তেল আবিব অঞ্চলের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি মানচিত্র দেখানো হয়েছে।
ব্যানারটিতে হিব্রু ভাষায় একটি সতর্কবার্তাও লেখা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে—
“মিসাইলের বৃষ্টির সামনে এটি খুবই ছোট একটি এলাকা।”
Destroy Them
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group
Translation is not possible.
পৃথিবীর একমাত্র গোয়েন্দা সংস্থা র, যা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে রেন্ডিয়ায় বাইরে তাদের হাইকমিশন গুলোকে বেজ করে। আর এতে সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রাখে ইসকন, ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার তথা ওদের বিভিন্ন নামে কালচারাল সেন্টারের মাধ্যমে।
সেই সাথে ওদের বিভিন্ন দেশে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তার মাধ্যমে।
একটা রিসেন্ট উদাহরণ দেই, ইরানের চাহাবার বন্দরের রেন্ডিয়ান কর্মকর্তা ও কর্মচারির মাধ্যমে র তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন সেনসেটিভ ইনফরমেশন মোসাদের কাছে পাঠাচ্ছিল।
এই কারণে ১২ দিনের যুদ্ধের প্রথম দিকে ইরানের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়, হামলায় পিন পয়েন্ট ইনফোর কারণে।
এই কাজ গুলো করে রেন্ডিয়ান এজেন্টদের কারণে।
একটা জিনিস খেয়াল করুন এই বেইমান মোনাফেক জাতি বিভিন্ন দেশে অতিথি হয়ে এসে ঔ দেশের ক্ষতি সাধনের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে।
এরা ধর্মীয় লেবাসধারী হয়ে ইসকনের মাধ্যমে র এর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
আবার কখনো সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে করে, আবার কখনো কর্মকর্তা কর্মচারীর বেশে করে থাকে।
আর সবার বেজ হিসেবে কাজ করে ওদের হাইকমিশন গুলো।
এখন বাংলাদেশের পটভূমিতে একবার চিন্তা করুন, কি নেই র এর উইং এদেশে?
রেন্ডিয়ান হাইকমিশনকে বেজ করে গত ৫৫ বছরে এক মাকড়সার জালের মতো ওদের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। যেখানে বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া, সাংস্কৃতিক কর্মী, বাম দলগুলো, স্থায়ী ভাবে তো ওদের উইং হিসেবে কাজ করে।
সেই সাথে আছে বিভিন্ন রেন্ডিয়ার পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি কালচারাল সেন্টার, যেমন ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার, উদিচি, ছায়ানট।
এরা সমাজের এলিট শ্রেণীর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করে র এর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে, কৃষ্টি কালচার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিয়ে।
এরা সবাই সমাজকে রেন্ডিয়ার চাওয়া অনুযায়ী র এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে সমাজে বয়ান উৎপাদন এবং তা নাগরিকদের মনস্তত্ত্বে প্রবেশ করানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে রেন্ডিয়ার নাগরিকরা, এরা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে সারা দেশের সব ইনফরমেশন র এর কাছে হ্যান্ডওভাবের কাজ করে থাকে।
যেমন বাংলাদেশের যত স্পর্শকাতর প্রজেক্ট আছে যেমন রুপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কাজ করে সেখান কার সব ইনফো ওরা র এর কাছে পাস করে থাকে।
এছাড়া র এর না চাইতেও বৃষ্টির মতো এদেশের ওদের জাত ভায়েরা সারা প্রশাসন সহ সব জায়গায় বসে আছে এদের খেদমত করে রেন্ডিয়ার আশীর্বাদ পুষ্ট হওয়ার জন্য।
প্রশাসনের ভিতর থাকা এই সব গাদ্দাররা দেশের সকল স্পর্শকাতর ইনফরমেশন র এর কাছে পাচার করে থাকে।
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group
Translation is not possible.
AIPAC casually boasting about $3.3 Billion dollars sent to Israel.
American taxpayers’ dollars are wasted on a foreign nation instead of being spent on Americans.
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group
Translation is not possible.
হে আবু উবাইদা
হে হাসসানের কবিতা, খালিদের বিপ্লব,
হে কা‘কাআর কণ্ঠ, হাজার বর্শার ঝংকার।
হে আবু উবাইদা, যুদ্ধক্ষেত্রে তুমি আগুন,
তোমার কণ্ঠের উত্তাপ আগ্নেয়গিরির শিখা।
আমাদের ঘোড়ার হ্রেষাধ্বনি থেকে
তোমার কণ্ঠ কখনো অনুপস্থিত ছিল না—
হে সেই বিপ্লব, যা অত্যাচারের আগুন পুড়িয়ে দেয়।
আমি তোমার জন্য কাঁদি—তুমি সেই তলোয়ার,
যা চিরকাল উন্মুক্তই থাকবে;
আমার দুঃখ বাড়ে, অশ্রুতে হৃদয় ভারী হয়।
হে ভয়ের কণ্ঠ, যার গর্জন
ময়দানের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে কখনো মিলিয়ে যায় না।
অক্ষরে অক্ষরে তুমি তাদের আতঙ্কিত করেছ,
শব্দে নিক্ষেপ করেছ শয়তান-বিধ্বংসী ভয়।
বীরত্বের কুফিয়া তোমার উজ্জ্বল মুখে
ঈমানের আলোয় সুশোভিত হয়েছে।
তোমার আবির্ভাবে আমরা আনন্দ পেতাম,
যেখানে কুরআনের মাধ্যমে আমাদের শোনাতে
মর্যাদা ও দৃঢ়তার বাণী।
"আরবী একটি কবিতার অনুবাদ"
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group