Translation is not possible.
আমি একজন তু-র্কি নাগরিক।
আ*ফGaনে এসে যা দেখেছি,তা শুধু একটি দেশের বাস্তবতা নয়—এটা আমাদের ভুলে যাওয়া ইতিহাসের জীবন্ত ছবি।
হেরাতে আমি কয়েক দিন অতিথি ছিলাম গভর্নর শেখ মাও//লভি ইসলামের কাছে।
সেখানে গিয়ে বুঝেছি,ক্ষমতা যদি তাকওয়া ওয়ালাদের হাতে যায়,তাহলে শা/স/নও ইবাদতে পরিণত হয়।
ওনার কোনো নির্দিষ্ট অফিস সময় নেই—কারণ জনগণের দুঃখের সময়ের কোনো ঘড়ি হয় না। ধনী-গরিব,সাধারণ মানুষ,আলেম—সবাই তার পাশে বসে।দরজা নয়,তার হৃদয়টাই সবার জন্য খোলা।
একদিন মানসিক প্রতিবন্ধী একজন মানুষ এল তার সঙ্গে দেখা করতে।
কোনো অবহেলা নয়—তিনি তাকে কাছে টানলেন,
কথা বললেন,হাসালেন। বিদায় দেওয়ার পর আমাদের বললেন—
“এরা আমাদের দুর্বলরা।আল্লাহ এদের কারণেই তাঁর বান্দাদের ওপর রহমত নাযিল করেন।”
এই একটি বাক্য আমাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
খাবারের সময়েও তিনি আলাদা নন।কর্মচারীদের সঙ্গে একই দস্তরখানে,মাটিতে বসে খাবার খান।কোনো বিশেষ চেয়ার নেই,কোনো আলাদা থালা নেই—শুধু দায়িত্ব আর বিনয়।
সেদিন মনে হয়েছিল,
আমি যেন ইতিহাসের ভেতর দাঁড়িয়ে আছি।
সীরাতের পাতাগুলো যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছিল।
আমাদের উম্মাহ শা/স/নের নামে অনেক কিছু দেখেছে। কিন্তু আজও প্রমাণ হয়—যদি আদর্শ হয় রাসূল ﷺ, তবে এই যুগেও সোনালী শা/স/ন সম্ভব।
হে আল্লাহ,আমাদের চোখ খুলে দিন।
আমাদের এমন শাসক দিন,আর আমাদেরও এমন মানুষ বানান—যাদের আদর্শ ও পথপ্রদর্শক শুধু আপনার রাসূল ﷺ।
(একজন তুর্কী মুসলিম ভাইয়ের টাইম লাইন থেকে)
image
Send as a message
Share on my page
Share in the group